গত বছর বুলারাটি তরুণ সংঘটি প্রতিষ্ঠিত হয়। অনেক সদস্যও হয়েছে ইতোমধ্যে। কিন্তু সদস্যদের মধ্যে কোনো প্রকার শৃঙ্খলাবোধ নেই। যে যার মতো করে সংঘটির জন্য সিদ্ধান্ত নেয়। এমনকি তার কোনো সামাজিক স্বীকৃতিও ছিল না। এসব কারণে সভাপতি সবার সম্মতির প্রেক্ষিতে সংঘটির জন্য কিছু নিয়মনীতি নির্ধারণ করে দেন। পরবর্তীতে সে অনুযায়ী সংঘটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এখন সংঘটি গ্রামের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
উদ্দীপকের সংঘটির নির্ধারিত নিয়মনীতিকে একটি রাষ্ট্রের আইনের সাথে তুলনা করা যায়। একটি দেশের আইন বলতে সমাজ স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়মকানুনকে বোঝায়। যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এ আইন মানুষের মঙ্গলের জন্য প্রণয়ন করা হয়। আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির বিধানও রয়েছে। পৃথিবীর সব আইনের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। যেমন-আইন সমাজের বাইরের মানুষের জন্য অর্থহীন। যেমন নিঃসঙ্গ সাধক ফকিরের নিকট আইনের কোনো প্রয়োজন নেই। আইন মানুষের বাহ্যিক আচার-আচরণের সাথে যুক্ত। ধ্যানধারণার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। যেমন কেউ যদি অসৎ চিন্তা করে তা আইনের আওতায় আসে না। আইন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কর্তৃক সমর্থিত। তাই আইন ভঙ্গকারীর জন্য শাস্তির ব্যবস্থা থাকে আর আইনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। আর উদ্দীপকের ক্লাবটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো একটি রাষ্ট্রের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্যই আইনের উৎপত্তি হয়েছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?